দায়িত্ব পাওয়ার মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই তিনি হাত দিয়েছেন জেলার ঐতিহ্যবাহী শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামের ব্যাপক সংস্কার কার্যক্রমে। দীর্ঘদিনের অবহেলা, অযত্ন আর জরাজীর্ণ অবস্থার পর যেন আবারও জেগে উঠতে শুরু করেছে এক সময়ের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ভেন্যুটি।
স্টেডিয়ামে এখন চলছে কর্মব্যস্ততা। প্রবেশ সড়ক সংস্কার থেকে শুরু করে গ্যালারি, ড্রেসিংরুম, অবকাঠামো, আসবাবপত্র এবং বিভিন্ন প্রয়োজনীয় স্থাপনা নতুন করে সাজানোর কাজ শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ও ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলো চিহ্নিত করে ধাপে ধাপে সংস্কারের পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শুধু সৌন্দর্যবর্ধন নয়—স্টেডিয়ামকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানে ফিরিয়ে আনাই মূল লক্ষ্য। খেলোয়াড়দের জন্য উন্নত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা, অনুশীলনের পরিবেশ আধুনিক করা এবং বড় ম্যাচ আয়োজনের উপযোগী করে তুলতে কাজ করছেন মীর সীমান্ত।
এদিকে বিসিবির পরিচালক পদেও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন তিনি। ফলে বগুড়ার ক্রীড়াঙ্গনে নতুন প্রত্যাশার জন্ম হয়েছে। স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের বিশ্বাস, তাঁর নেতৃত্বে আবারও দেশের ক্রিকেট মানচিত্রে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা করে নিতে পারে শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম।
এক সময় আন্তর্জাতিক ম্যাচের উত্তাপে মুখর থাকা এই মাঠ দীর্ঘদিন নীরব ছিল। তবে নতুন এই উদ্যোগে সেই নীরবতা ভাঙার স্বপ্ন দেখছে বগুড়াবাসী। দ্রুত সংস্কার কাজ শেষ হলে আবারও দর্শকে মুখর হবে গ্যালারি, ব্যাট-বলের লড়াইয়ে প্রাণ ফিরে পাবে উত্তরাঞ্চলের ক্রিকেটের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র—এমনটাই প্রত্যাশা সবার।