এ সময় তিনি বলেন, ‘যেখানে নতুন কোনো প্রতিষ্ঠান রেজিস্ট্রেশনের জন্য কোনো দুর্নীতি হবে না। অনেকগুলো ট্রেড লাইসেন্সের প্রয়োজন হবে না। স্ট্রিম লাইন প্রসেসের মাধ্যমে ওয়ানস্টপ সলিউশন নিশ্চিত করতে চাই। বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের মূল ভিত্তি হবে কিভাবে আমরা কর্মসংস্থান করবো তার ওপর।’
মাহাদী আমিন বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জকে আমরা একটি রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে সবাই মিলে কাজ করবো। এখানকার গার্মেন্ট পণ্য বিশ্বের সব দেশে যায়। গার্মেন্ট সেক্টরের ক্ষতি কমাতে আড়াইহাজার কোটি টাকার নীতিগত সহায়তা ইনটেনসেটিভের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে ফ্যাক্টরির মালিকরা পুরো সহযোগিতা পান।’
তিনি বলেন, ‘ঈদুল ফিতরের সময় আমরা যেমন আন্তরিকতা একাগ্রতার মাধ্যমে সবাই মিলে কাজ করে সফলতা পেয়েছিলাম তেমনি ঈদুল আযহাতে সফলতা পেতে চাই।’
এসময় তিনি বলেন, ‘কর্মসংস্থান সৃষ্টি কর্মদক্ষতা বৃদ্ধিসহ নানা সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করাই বিএনপির রাজনীতি। আমরা গত ঈদুল ফিতরের সময়েও দেখেছি কিছু ষড়যন্ত্র হয়েছিল। প্রশাসনসহ সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকায় সেটা ব্যর্থ হয়েছে। ইনশাআল্লাহ এবারও সকলে ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোনো ষড়যন্ত্র সফল হবেনা।’
নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবিরের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ_৩ আসনের সাংসদ আজহারুল ইসলাম মান্নান, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সাংসদ নজরুল ইসলাম আজাদ, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন প্রশাসক এড. সাখাওয়াত হোসেন খান, জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক মাসুকুল ইসলাম রাজীব।