সংসদে বাজেট উপস্থাপনের পর জাতীয় সংসদ ভবনে নিজের কার্যালয়ে বাজেটের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে ফখরুল বলেন, প্রস্তাবিত বাজেট দেশের নাজুক ও ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতিকে ঘুরে দাঁড়াতে সহায়তা করবে এবং বিনিয়োগকে উৎসাহিত করবে।
তিনি বলেন, সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কল্যাণের কথা চিন্তা করে এই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। এটি একটি সৃজনশীল বাজেট।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করা ফখরুল বলেন, প্রস্তাবিত বাজেট মূলত উৎপাদনমুখী, বিনিয়োগবান্ধব এবং ব্যবসাবান্ধব।
তিনি বলেন, আমার কাছে এটাই বাজেটের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক বলে মনে হয়েছে। আমরা অতীতের বাজেটগুলোতে এ ধরনের প্রণোদনা ও সুবিধা দেখিনি। এবার যে সহায়তা ও প্রণোদনার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, তার পরিধি আগের তুলনায় অনেক বেশি।
শিল্প, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে বরাদ্দের বিষয় তুলে ধরে তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ বাজেট দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করবে।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এর ফলে অর্থনীতি খুব দ্রুত গতি ফিরে পাবে। আমরা আশা করি, বাংলাদেশের অর্থনীতি দ্রুত ঘুরে দাঁড়াবে।’
তিনি বলেন, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিক নির্দেশনা ও ভাবনার প্রতিফলন ঘটিয়ে এ বাজেট প্রণয়ন করেছেন।
বৃহস্পতিবার বিকেলে স্পিকারের অনুমতি নিয়ে অর্থমন্ত্রী জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেন। নামাজের জন্য দুই দফা বিরতির পর রাত প্রায় ৮টা ৮ মিনিটে তিনি তার বাজেট বক্তৃতা শেষ করেন এবং পরে অর্থবিল সংসদে উপস্থাপন করেন।
প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ উৎসাহিত করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নিম্ন আয়ের মানুষের সহায়তার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।