মঞ্চে উঠে রুনা লায়লা বলেন, ‘অনেক বছর পরে হলেও এ ধরনের আয়োজনের জন্য শিল্পকলা একাডেমিকে সাধুবাদ জানাই।’
বন্যার্তদের সহযোগিতার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘ভালো লাগছে যে আপনারা একটা ভালো কাজে এগিয়ে এসেছেন, ভালো কাজে যোগ দিয়েছেন। আমরা সবাই যেন দেশকে ভালোবেসে কাজ করি।’
অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও ভাষা আন্দোলনে আত্মত্যাগকারীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান রুনা লায়লা। যারা দেশের স্বাধীনতার জন্য প্রাণ দিয়েছেন এবং ভাষার জন্য আত্মত্যাগ করেছেন, তাদের স্মরণ করে প্রথম গান পরিবেশন করেন তিনি।
রুনা লায়লার একক সংগীতানুষ্ঠান ঘিরে দর্শক-শ্রোতাদের ব্যাপক আগ্রহ দেখা যায়। ৭০০ আসনের জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে বিভিন্ন বয়সী দর্শক-শ্রোতার উপস্থিতিতে সব আসন পূর্ণ ছিল। আয়োজকদের ভাষ্য, টিকিট বিক্রি শুরুর প্রথম দিনেই সব টিকিট বিক্রি হয়ে যায়। টিকিট না পাওয়ায় অনেক অনুরাগী আক্ষেপও করেন।
মাত্র ১৪ বছর বয়সে পাকিস্তানে পেশাদার সংগীতশিল্পী হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন রুনা লায়লা। ছয় দশকের বেশি সময়ের সংগীতজীবনে বাংলা, হিন্দি, উর্দু, পাঞ্জাবি, সিন্ধি, গুজরাটি ও পশতুসহ ১৮টি ভাষায় গান গেয়েছেন তিনি।
রাত সোয়া ৯টার দিকে ‘দমাদম মাস্ত কালান্দার’ গান পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।