স্থানীয় সূত্র ও নিরাপত্তা বাহিনীর তথ্যমতে, গত কয়েকদিন ধরে আজাদ কাশ্মীরে চলমান সহিংস বিক্ষোভ ও রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি অধিকারভিত্তিক গোষ্ঠীর ডাকা ধর্মঘটকে কেন্দ্র করে অঞ্চলজুড়ে দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।
এর আগে ওই অঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনী ও একটি নাগরিক সমাজ জোটের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১১ জন নিহত হন। এরপরই পুরো এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।
বুধবার (১০ জুন) মুজাফফারাবাদের কাছে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একটি এমআই-১৭ হেলিকপ্টার কারিগরি ত্রুটির কারণে বিধ্বস্ত হয় বলে জানায় সেনাবাহিনীর মিডিয়া উইং। প্রাথমিক বিবৃতিতে নিহতের সংখ্যা উল্লেখ না করা হলেও পরবর্তীতে নিরাপত্তা সূত্রগুলো জানায়, দুর্ঘটনায় ২২ জন সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১৯ জন সেনা, একজন মেজর ও দুইজন কর্নেল ছিলেন।
দুর্ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে বিধ্বস্ত স্থানের পেছনে ঘন কালো ধোঁয়া উড়তে দেখা যায়। পরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় নিহতদের দাফন সম্পন্ন করা হয়। কফিনগুলো পাকিস্তানের জাতীয় পতাকায় মোড়ানো ছিল এবং সামরিক সদস্যরা সেগুলো বহন করেন।
সেনাবাহিনী জানিয়েছে, দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ উদঘাটনে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।