দিবসটি উপলক্ষে সারা দেশে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সরকারি-বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনও শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে কর্মসূচি পালন করছে।
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে পৃথক বাণীতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের আত্মত্যাগের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
এদিন রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, কুচকাওয়াজ ও শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে নানা আয়োজন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতেও স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
শুধু দেশেই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরাও যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি উদ্যাপন করছেন। দূতাবাসগুলোতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
মহান স্বাধীনতা দিবস আমাদের শুধু গৌরবের স্মারক নয়, এটি আমাদের দায়িত্বেরও প্রতীক। শহিদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে গণতন্ত্র, মানবিকতা ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের প্রত্যয়ে নতুন করে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানানোর দিন আজ।