সোমবার রাতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের এয়ারপোর্ট, আজমপুর, হাউজ বিল্ডিং, আব্দুল্লাহপুরসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বাস কাউন্টারগুলোতে শত শত যাত্রী বাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছেন। কোথাও কোথাও কাউন্টারে জায়গা না পেয়ে অনেকেই কাউন্টারেন সামনে অবস্থান নিয়েছেন।
দুপুরে বৃষ্টির কারণে অনেক জায়গায় পানি জমে থাকার ফলে যাত্রীদের বাসে ওঠানামা করতে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
কাউন্টারগুলোর সামনে বাস এসে দাড়াঁতেই নির্ধারিত গাড়িতে উঠতে ব্যস্ত হয়ে উঠছেন যাত্রীরা।
আব্দুল্লাহপুর থেকে পাবনাগামী সরকার ট্রাভেল পরিবহনের কবির হোসেন নামের এক যাত্রী বলেন, আমি ১০০০ টাকা দিয়ে টিকিট নিয়েছি। স্বাভাবিক সময়ে এই টিকিটের দাম ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা সর্বোচ্চ।
সিরাজগঞ্জগামী সি লাইন পরিবহনের অপর এক যাত্রী বলেন, ঈদ এলেই অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে টিকিট নিতে হয়। এটা একটা স্বাভাবিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। যাত্রীরাও এটাকে স্বাভাবিকভাবে নিয়েছে কারণ তাদের যে করেই হোক যেতে হয় বাড়িতে।
পাবনা এক্সপ্রেস কাউন্টারের ম্যানেজার বাচ্চু মিয়া বলেন, গতদিনের তুলনায় যাত্রীর চাপ আজ আগের মতোই আছে এবং রাস্তায় গাড়ি মোটামুটি স্বাভাবিকভাবেই আসছে। যানজট রাস্তায় তুলনামূলকভাবে কম। যাত্রীরা অন্যান্য বাড়ির চেয়ে এবার স্বাচ্ছন্দ্যভাবে ঈদ যাত্রায় বাড়ি যাচ্ছেন।